IQNA

শেখ জাকজাকি: কারবালার রাস্তায় সকলের উপস্থিতি ইমাম হুসাইনের (আ.) আন্দোলনের বিজয়ের প্রমাণ  

15:33 - August 26, 2024
সংবাদ: 3475936
ইকনা- নাইজেরিয়ার ইসলামী আন্দোলনের নেতা শেখ ইব্রাহিম জাকজাকি জোর দিয়ে বলেছেন: ফিলিস্তিনের জন্য সমর্থনের সমস্ত অবস্থান ইমাম হুসাইন (আ.)-এর মকতব থেকে উদ্ভূত হয়েছে। কারবালার রাস্তায় আজকের জমায়েত ইমাম হুসাইন (আ.)-এর আন্দোলনের বিজয়ের সাক্ষ্য এবং সূচকগুলো ইসরাইল ধ্বংস ও গাজার বিজয়ের দিকে নির্দেশ করে।

নাইজেরিয়ার ইসলামি আন্দোলনের নেতা ইসরাইল সরকারকে নড়বড়ে অভিহিত করে বলেছেন, দখলদার ইসরাইল ক্রমেই পতন ও ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

নাইজেরিয়ার ইসলামি আন্দোলনের নেতা শেখ "ইব্রাহিম জাকজাকি", ইরাকের কারবালা শহরে "আল-আকসার আহবান" ব্যানারে আয়োজিত মিছিলে যোগদান করে বলেছেন: "ইহুদিবাদী ইসরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্র নড়বড়ে হয়ে পড়েছে এবং তারা পতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

শেখ "জাকজাকি" ইসরাইলের ব্যর্থতার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন: দখলদার এই শক্তির পতন শুরু হয়েছিল "আকসা তুফান" অভিযান শুরুর পর থেকে এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহর ইচ্ছায়, ইসরাইলের ধ্বংস অতি সন্নিকটে। এটা কেবল আশাবাদ নয় বরং ইসরাইলের পতনের বিষয়টি আমরা সবাই দেখতে পাচ্ছি।

নাইজেরিয়ার এই মুসলিম নেতা আরও বলেছেন: আজ এত রক্ত ​​ঝরানোর পর আল্লাহর ইচ্ছায় গাজা বিজয়ী হবে এবং তার পরে ফিলিস্তিন বিজয়ী হবে এবং আমরা শীঘ্রই আল-আকসা মসজিদে আমাদের নামাজ আদায় করব।

ইসরাইল বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হাগি ওলশানিতস্কি ইসরাইলের জেমান নিউজ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি নিবন্ধে লিখেছেন যে, ৭ অক্টোবর যা ঘটেছিল তার পরে স্পষ্টতই "বিজয়ের ধারণায় পরিবর্তন এসেছে এবং ইসরাইলের কাল্পনিক বিজয় নিয়ে আর কোন কথা হচ্ছে না।

গত ৭ অক্টোবর থেকে, পশ্চিমা দেশগুলোর পূর্ণ সমর্থন নিয়ে ইসরাইল গাজা উপত্যকা ও জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরে নিরস্ত্র ও নির্যাতিত ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে,কিন্তু এখনও পর্যন্ত ‌ইসরাইল হামলার আগে যেমনটি দাবি করেছিল সেসবের কোনো সাফল্যই অর্জন করতে পারেনি।

সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৪০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে এবং ৯২ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে।

ব্রিটিশদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯১৭ সালে অবৈধভাবে ইসরাইল প্রতিষ্ঠার নীল নকশা তৈরি হয়েছিল এবং সে অনুযায়ী বিভিন্ন দেশ থেকে ইহুদিদেরকে এনে  ফিলিস্তিনি ভূমিতে জায়গা করে দেয়া হয়েছিল। এরপর ১৯৪৮ সালে ইসরাইল নামক রাষ্ট্রের অস্তিত্ব ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপর থেকে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর গণহত্যা এবং তাদের সমগ্র ভূমি দখল অব্যাহত রয়েছে।

তবে ইরানের নেতৃত্বে বহু দেশ এখন ইসরাইলের বিলুপ্তির আহ্বান জানাচ্ছে এবং ইহুদিদের নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার দাবি জোরদার হচ্ছে। 

https://iqna.ir/fa/news/4233364

captcha